বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উড়তে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম ইলেকট্রিক বিমান ইন্ডিগোর ২ বিমানে ৫ যাত্রী করোনা পজিটিভ ! আতঙ্ক বিমান যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রে ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে বোয়িং দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও ৫ বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চলাচল শুরু ১ জুন থেকে পরিবারের ৪ সদস্যকে আনতে ১৮০ আসনের উড়োজাহাজ ভাড়া! অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে বিমান, ইউএস-বাংলা ও নভোএয়ার ঢাকা কাস্টমস হাউজের ৩ রাজস্ব কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত ১৫ জুন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচলের নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে বেবিচক অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে বেবিচকের যে নির্দেশনা মানতে হবে

ঈদে পর্যটক শূন্য কক্সবাজার, ফাঁকা সৈকত, বন্ধ হোটেল মোটেল

এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০
  • ১২২ বার

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এবার পর্যটকশূন্য কক্সবাজার। ঈদের পরে লাখো পর্টকে মুখরিত হয়ে উঠত পর্যটন শহর কক্সবাজার, বিস্তীর্ণ সৈকতসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো ।

এবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হল করোনা পরিস্থিতির দীর্ঘ লকডাউনে। সম্ভবত এই প্রথম ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটন শহর কক্সবাজারে কোন পর্যটক আসেননি। করোনাকালীন দীর্ঘ লকডাউনে এখনো ফাঁকা কক্সবাজার। পর্যটকশূন্য বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত।

হোটেল মোটেল গুলোতে বিরাজ করছে অন্যরকম পরিবেশ। এতেকরে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসা। প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটন শহর কক্সবাজার থাকে লোকে লোকারণ্য। লাখো পর্যটকের ভিড়ে কক্সবাজার হয়ে উঠে সরগরম।

এই বিশাল সংখ্যক পর্যটকদের থাকা খাওয়া ব্যবস্থাপনায় কক্সবাজারের পাঁচতারাকা হোটেল থেকে শুরু করে সাধারণ হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, রেস্টহাউজ, গেষ্টহাউজ গুলোয় থাকে জমজমাট অবস্থা।

এসময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে উঠে। এই বিপুল সংখ্যক পর্যটকদের স্বাগত জানাতে হোটেল রেস্তোরাঁ গুলো পবিত্র রমজান মাস থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে থাকত। কিন্তু এবার ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজারে কোন পর্যটক আসছেননি। তাই হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, রেস্টহাউজ, গেষ্টহাউজ গুলোয় গেইট বন্ধ, জ্বলছেনা বাতিও।

হোটেল মোটেল গেষ্টহাউজ সমিতির নেতা আলহাজ্ব আবুল কাসেম সিকদার এ বিষয়ে বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ লকডাউন তো মেনে নিতেই হচ্ছে। তবে ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি টাকার টার্ন ওভার বন্ধ হয়েগেছে। এছাড়াও ৫শ মত হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, রেস্টহাউজ, গেষ্টহাউজ গুলো পর্যটন মৌসুমে ৫ শত কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ঈদুল ফিতরের পরে করোনা সংক্রমণ নিরাপত্তা বিষয়ে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, রেস্টহাউজ, গেষ্টহাউজ গুলোর কর্মচারীদের নিয়ে তারা একটি সেমিনারের আয়োজন করতে যাচ্ছেন।

হোটেল মোটেল জোন সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, পাঁচতারাকা হোটেল সীগাল, সইমান রিসোর্টসহ সব নামীদামী হোটেল থেকে শুরু করে সাধারণ হোটেল গুলোর গেইট বন্ধ। ভেতরে লাইটও জ্বলছেনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোটেল মালিক বলেন, পর্যটন মৌসুমে নতুন করে কর্মসংস্থান হতো সহস্র কর্মহীন মানুষের। পর্যটনকে ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠত কক্সবাজারের সব ধরণের ব্যবসা বাণিজ্য। কিন্তু এবারে দীর্ঘ লকডাউনে কক্সবাজারের হোটেল রেস্তোরাঁ গুলো বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়েছে শত শত কর্মচারী। ব্যবসা বাণিজ্যতো লাঠে উঠেছে বহু আগেই।

ইনকিলাব

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
★ এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া  অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!